মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৩ অক্টোবর ২০১৯

বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৮-১৯

http://rda.gov.bd/img/ban-gov_logo.jpg                                                            

 

 

                  

বার্ষিক প্রতিবেদন

 ২০১৮-১৯

জীবন চক্র2

 

                                 

পাট অধিদপ্তর

বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

যোগাযোগঃ

৯৯,মতিঝিল বানিজ্যিক এলাকা,ঢাকা-১০০০

টেলিফোনঃ ৮৮০২৯৫৬১৫৪৬

www.dgjute.gov.bd

dgjute@gmail.com

 

 

১. পটভূমি

 

          পাটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং পাটের বৈদেশিক বাণিজ্য তদারকির জন্য ১৯৫৩ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে প্রথমে জুট বোর্ড গঠিত হয়। স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের এপ্রিল মাসে জুট বোর্ড বিলুপ্ত করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে পাট বিভাগ সৃষ্টি করা হয়। ১৯৭৬ সালে স্বতন্ত্র পাট মন্ত্রণালয় সৃষ্টি হয়। উহার অধীনে সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে পাট পরিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়। পরবর্তীতে কাঁচাপাট ও পাটজাত পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণকল্পে বিশ্ব ব্যাংকের সুপারিশের আলোকে ১৯৭৮ সালে পাটপণ্য পরিদর্শন পরিদপ্তর নামে অপর একটি পরিদপ্তর সৃষ্টি করা হয়। ১৯৯২ সালে পাট মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সাবেক ‘পাট পরিদপ্তর’ এবং ‘পাট ও পাটপণ্য পরিদর্শন পরিদপ্তর’ একীভূত করে পাট অধিদপ্তর গঠিত হয়। সাবেক  পরিদপ্তর দুটির  মোট জনবলের সংখ্যা ছিল ৭৯৩ জন। নবগঠিত পাট অধিদপ্তরের জনবল নির্ধারণ করা হয় ৪৯৪ জন । সমাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পের ১২০ সংখ্যক জনবল পাট অধিদপ্তরের রাজস্বখাতে স্থানান্তরিত হওয়ায় বর্তমানে অনুমোদিত জনবলের সংখ্যা ৬০৪ জন।

 

২. ভিশন ও মিশন

 

২.১ ভিশন :   দেশে বিদেশে প্রতিযোগিতা সক্ষম শক্তিশালী পাটখাত প্রতিষ্ঠা

২.২ মিশন :  পাটচাষী, পাটকল ও ব্যবসায়ীদেরকে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে পাট ও পাটজাত পণ্যের আভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধি ও  বাজার সম্প্রসারণ ।

২.৩ কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ :

□   পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবসায়ে সহযোগিতা প্রদানের নিমিত্ত আইন ও বিধিমালা প্রয়োগ জোরদারকরণ;

□  দক্ষ ও প্রয়োজনীয় জনবল তৈরীর নিমিত্ত সাংগঠনিক কাঠামো সুসংগঠিতকরণ;

□  প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়ন;

□  পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে

     সহযোগিতা প্রদান;

□  পাটখাতে বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণ ‍।

 

 

৩. জনবল  ও আঞ্চলিক অফিস বিন্যাস

৩.১ রাজস্বখাতে অনুমোদিত জনবল :

 

গ্রেড

অনুমোদিত পদ

কর্মরত

শুন্য

 

১-৯

৭৩

৬৮

১০

৫১

৪০

১১

১১-১৬

৪০৭

১৪০

২৬৭

১৭-২০

৭৩

৩৩

৪০

মোট

৬০৪

২৮১

৩২৩

 

        

                                                                                                                       লেখচিত্রঃ ৩.১

 

 

 

৩.৩ আঞ্চলিক/মাঠ পর্যায়ের অফিস বিন্যাসঃ

  1. ১৮ টি আঞ্চলিক অফিস (ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় অবস্থিত ৩টি পাটপণ্য পরীক্ষাগারসহ)
  2. ৪২ টি মুখ্য পরিদর্শকের কার্যালয়।
  3. ৭৯ টি পরিদর্শকের কার্যালয়।

  

পাট অধিদপ্তরে ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের মাধ্যমে ৯ম গ্রেডভূক্ত ২ জন সহকারী পরিচালক এবং ১০ম গ্রেড ভুক্ত ০৬ (ছয়) জন মুখ্য পরিদর্শক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে । এছাড়া বর্তমানে ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর বিভিন্ন পদে নিয়োগ  কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে ।

 

 

 

৪. অধিদপ্তরের দায়িত্ব ও কার্যাবলীর সংক্ষিপ্ত বিবরণ

  1. পাট আইন-২০১৭ প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন;
  2. পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ এবং পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা-২০১৩ এর প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন;
  3. পাট ও পাটপণ্য উৎপাদন, বাজারজাতকরণ, রপ্তানি ও রপ্তানি আয়ের যাবতীয় তথ্যাদি সংগ্রহ ও সমন্বিত   প্রতিবেদন প্রস্তুতকরণ;
  4. পাট চাষের উন্নয়ন, প্রসার, গবেষণা ;
  5. স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার চাহিদার সাথে সঙ্গতি রেখে পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি ;
  6. পাট চাষের জন্য ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা ;
  7. বহুমুখী পাটজাত পণ্যের গবেষণা, উদ্ভাবন ;
  8. পাট চাষীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ ;
  9. পাটজাত পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণে প্রয়োজনীয় প্রণোদনা এবং পুরষ্কার প্রদান বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণ;
  10. পাটকলসমুহে উৎপাদন পর্যায়ে পণ্য মান নিয়ন্ত্রণ,পণ্যের মান নিশ্চতকরণ এবং পরামর্শ ও সহায়তা প্রদান;
  11. পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবসার লাইসেন্স প্রদান ও নবায়ন;
  12. পাট ব্যবসায়ের অনিয়ম ও অসাধুতা রোধ;
  13. পাট ও পাটজাত দ্রব্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং
  14. “উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ  ” শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন।

 

 

৫. প্রশিক্ষণ

 

৫.১ পাট অধিদপ্তরের ২০১৮-১৯  অর্থ বছরের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কার্যক্রম :

ক্যাটাগরি

প্রশিক্ষণের সংখ্যা

কর্মকর্তা

কর্মচারী

মোট

কম্পিউটার প্রশিক্ষণ

০২

০৩

-

০৩ জন

অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণ

৫ টি

৯৮

৩০

১২৮ জন

ইন হাউজ প্রশিক্ষণ

০৯ টি

১২৬

২০৫

৩৩১ জন

বিদেশ প্রশিক্ষণ

১৬

-

১৬ জন

উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা

৬৫ টি

প্রতি কর্মশালায় ৫০ জন

৩২৫০ জন

ওয়ার্কশপ/সেমিনার

১২ টি

প্রতি সেমিনারে ৬০ জন

৭২০ জন

পাট চাষী প্রশিক্ষণ

৪৫ টি জেলার ২২০ টি উপজেলায়

৩২,৫৪৭ জন

 

 

                                                                                          

 

                                                                                 

 

 

 

 

 

 

 

                                                                   

 

                                                                                  

 

                       

চিত্র:১- কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ওয়ার্কশপে উপস্থিত জনাব গোলাম দস্তগীর গাজী,

  বীর প্রতীক, এমপি, মাননীয় মন্ত্রী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় (২৬.০৬.২০১৯খ্রিঃ)         চিত্র:২- কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ইন হাউজ প্রশিক্ষণ (১৯.১২.২০১৮খ্রিঃ)   

 

 

 

 

   

 চিত্রঃ৩- “নাগরিক সেবায় উদ্ভাবন” শীর্ষক কর্মশালা (২৩.০৪.২০১৯ খ্রিঃ)            চিত্রঃ৪- কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ইন হাউজ প্রশিক্ষণে উপস্থিত বস্ত্র ও পাট                      
                                                                                                       মন্ত্রণালয়ের  সচিব জনাব মোঃ মিজানুর রহমান (১৯.১২.২০১৮খ্রিঃ)  

 

       

 চিত্রঃ৪- পাট অধিদপ্তরের সভাকক্ষে প্রশিক্ষণরত কর্মকর্তাবৃন্দ (২৪.০৪.২০১৯খ্রিঃ)                চিত্রঃ৫- ওয়ার্কশপের দলগত কাজে কর্মকর্তাবৃন্দ (২৪.০৪.২০১৯খ্রিঃ)

 

 

 

 

  

   চিত্রঃ৬-কুমিল্লা জেলার উদ্বুদ্ধকরণ সভা (১৫.০৬.২০১৯খ্রিঃ)            চিত্রঃ৭-রাজশাহী জেলার পবা উপজেলায় উদ্বুদ্ধকরণ সভা (২২.০৫.২০১৯খ্রিঃ)

 

 

 

 

    

      চিত্রঃ ৮-মুন্সীগঞ্জ জেলার উদ্বুদ্ধকরণ সভা (২২.০৫.২০১৯খ্রিঃ)                              চিত্রঃ ৯-ফরিদপুর জেলার মতবিনিময় সভা

 

   

 চিত্রঃ১০- পাটচাষীদের নিয়ে ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের সভাকক্ষে সভা                 চিত্রঃ১১-প্রধান কার্যালয়ে পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষে সভা (২৩.০৭.২০১৮খ্রিঃ)

 

 

 

৬. গত ০৫ (পাঁচ) বছরের গৃহীত কার্যক্রম ও অর্জন

 

৬.১      পাটজাত দ্রব্যের মান পরিদর্শন কার্যক্রম:

 

অর্থ বছর

মিল পরিদর্শন সংখ্যা

পরিদর্শনের ফলাফল

সরকারি মিল

বেসরকারি মিল

স্বাভাবিক

নিম্নমান

স্বাভাবিক

নিম্নমান

২০১৪-১৫

৪২১

২৯৬

০৮

৫৪৭

০৯

২০১৫-১৬

৫০০

৫০৮

১৩

৭৫৮

১১

২০১৬-১৭

৪৬২

৪৭৭

০৫

৬৮৪

০১

২০১৭-১৮

৫২৭

৪৪৭

০৬

৭৭৯

০৬

২০১৮-১৯

৫৬২

৪৪৫

০২

৭৯২

০২

 

 

 

 

 

 

 

৬.২     পাটজাত দ্রব্যের মান পরীক্ষণ কার্যক্রম :

 

অর্থ বছর

প্রাপ্ত নমুনার সংখ্যা

পরীক্ষিত নমুনার সংখ্যা

ফলাফল

স্বাভাবিক

নিম্নমান

২০১৪-১৫

২৩৭৯

২৩৭৯

২৩৬৬

১৩

২০১৫-১৬

৪২৯৮

৪৩১০

৪২৯৮

১২

২০১৬-১৭

২৬৪৪

২৬৪৫

২৬৪৪

০১

২০১৭-১৮

২০৭১

২০৭১

২০৬০

১১

২০১৮-১৯

১৬৫৭

১৬৫৭

১৬৫৪

০৩

 

 

৬.৩     সম্পাদিত কার্যক্রমের আওতায় গৃহীত তথ্য ও পরিসংখ্যান :

৬.৩.১ কাঁচা পাট ও পাটজাত পণ্য :

ক)       কাঁচাপাট উৎপাদনঃ

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

২০১৭-১৮

২০১৮-১৯

৭৫.০১

লক্ষ বেল

৮৭.৬৪

লক্ষ বেল

৮৮.৯৯

লক্ষ বেল

৯৩.১০

লক্ষ বেল

৭৩.১৫

লক্ষ বেল

 

 

খ)  কাঁচাপাট রপ্তানীঃ

 

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

২০১৭-১৮

২০১৮-১৯

১০.০১

লক্ষ বেল

১১.৩৭

লক্ষ বেল

১২.১৮

লক্ষ বেল

১২.৯৭

লক্ষ বেল

০৮.২৫

লক্ষ বেল

 

 

৬.৩.২    কাঁচা পাট হতে রপ্তানী আয় :

 

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

২০১৭-১৮

২০১৮-১৯

৮১৬.৭৪

কোটি টাকা

১১৭৪.৮৫

কোটি টাকা

১১৮৭.৫৩

কোটি টাকা

১২২৫.৫৫

কোটি টাকা

৮৫৯.০৫

কোটি টাকা

 

 

লেখ চিত্রঃ  কাঁচা পাট হতে রপ্তানী আয়

ক)  পাটজাত দ্রব্য উৎপাদন :

 

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

২০১৭-১৮

২০১৮-১৯

৮.৬৫

লক্ষ মে: টন

৯.৬৩

লক্ষ মে: টন

৯.৮৩

লক্ষ মে: টন

১০.২৯

লক্ষ মে: টন

৯.৩৮

লক্ষ মে: টন

 

 

খ)         পাটজাত দ্রব্য রপ্তানিঃ

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

২০১৭-১৮

২০১৮-১৯

৮.১৮

লক্ষ মে: টন

৮.২৫

লক্ষ মে: টন

৮.০৪

লক্ষ মে: টন

৮.২৭

লক্ষ মে: টন

৭.৩০

লক্ষ মে: টন

 

 

গ)         পাটজাত দ্রব্য হতে রপ্তানি আয় :

 

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

২০১৭-১৮

২০১৮-১৯

৫৬০২.১৬

কোটি টাকা

৬২৪০.০০

কোটি টাকা

৬৪৩০.৬০

কোটি টাকা

৬৮০১.৫৭

কোটি টাকা

৫২২০.৮৫

কোটি টাকা

 

 

উৎসঃ শিপার ও মিলারদের নিকট হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে।

 

 

 

 

৬.৩.৩  পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন - ২০১০ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত :

 

অর্থ বছর

২০১৮-১৯

পরিচালিত মোবাইল কোর্টের সংখ্যা

৮৯৭

আরোপিত জরিমানা

৬৫,৩০,৭৫০ টাকা

পাটের ব্যাগের ব্যবহার

৩৩ কোটি

 

 

 

    

 চিত্রঃ ১২-বগুড়ায় “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার              চিত্রঃ১৩- লালমনিরহাট জেলায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট

       আইন-২০১০” বাস্তবায়নে পরিচালিত  ভ্রাম্যমান আদালত

 

      

    চিত্রঃ১৪- সাতক্ষীরা জেলায় পরিচালিত মোবাইল কোর্ট                         চিত্রঃ ১৫-কুমিল্লায় “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার

                                                                                                   আইন-২০১০” বাস্তবায়নে পরিচালিত  ভ্রাম্যমান আদালত (২১.০১.২০১৯খ্রিঃ)

 

৬.৪ লাসেন্স সংক্রান্ত:

 

ক) মাঠ পর্যায়ঃ

 

বিবরণ

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

২০১৭-১৮

২০১৮-১৯

নতুন ইস্যু (সংখ্যা)

৬৩৪০

৭০২৬

৭২৪৭

৫৪৬৮

৩৪৪৬ টি

নবায়ন (সংখ্যা)

৭৯৬৭

৯০৬৩

৯৯৩৬

১০১৫২

৯০১৪ টি

মোট (সংখ্যা)

১৪৩০৭

১৬০৮৯

১৭১৮৩

১৫৬২০

১২৪৬০ টি

রাজস্ব আয় (টাকা)

১,৭১,২৪,৬০০/-

১,৮৩,৪২,৫০০/-

১,৯৪,৬৯,৩৫০/-

১,৮৭,০৬,৫০০/-

১,৫৭,৪১,৯০০/-

 

 

খ) প্রধান কার্যালয়ঃ

 

বিবরণ

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

২০১৭-১৮

২০১৮-১৯

নতুন ইস্যু (সংখ্যা)

৫৫

৩৫

৬৭

৯১

৭৪ টি

নবায়ন (সংখ্যা)

৮২১

৭৭৯

৭৩২

৭৬৩

৭৭২ টি

মোট (সংখ্যা)

৮৭৬

৮১৪

৭৯৯

৮৫৪

৮৪৬ টি

রাজস্ব আয় (টাকা)

২,৮৩,৮৫,০০০/-

২,৬১,৬৬,৫০০/-

২,৫৮,৪৩,০০০/-

২,৭২,১৭,৫০০/-

২,৬২,৭০,৪০০/-

 

 

৬.৫ কর ব্যতীত রাজস্ব প্রদান :

অর্থ বছর

  ২০১৮-১৯

কর ব্যতীত রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা (লক্ষ টাকায়)

১৩৮৫.১৮

কর ব্যতীত রাজস্ব আদায়ের পরিমান (লক্ষ টাকায়)

৯৮১.৯০

অর্জনের শতকরা হার (%)

৭১ %

 

 

৬.৬ অডিট কার্যক্রম :

অর্থ বছর

অডিট আপত্তির

নিষ্পত্তিকৃত অডিট আপত্তি

অনিষ্পত্তিকৃত অডিট আপত্তি

সংখ্যা

টাকার পরিমান (কোটি টাকায়)

সংখ্যা

টাকার পরিমান (কোটি টাকায়)

সংখ্যা

টাকার পরিমান (কোটি টাকায়)

২০১৮-১৯

২০

৭৬৬৮.৯০

১০.০৩

১৮

৭৬৫৮.৮৭

 

 

৬.৭ খাত ভিত্তিক অন্যান্য রাজস্ব আয়ঃ

 (অংকসমূহ লক্ষ টাকায়)

খাত সমূহ

২০১৪-১৫

২০১৫-১৬

২০১৬-১৭

২০১৭-১৮

২০১৮-১৯

লক্ষমাত্রা

অর্জন

লক্ষমাত্রা

অর্জন

লক্ষমাত্রা

অর্জন

লক্ষমাত্রা

অর্জন

লক্ষমাত্রা

অর্জন

পরিদর্শন ফি

৩৫০.০০

৪৯৩.৬৯

৩৭৫.০০

৫০৩.৩২

৪.০০

৫,৫৩.৩৯

৫,৫০.০০

৫,৪৬.১৮

৫৪১.০১

৫৪৬.১৪

পরীক্ষা ফি

২২.৯৮

২২.৯৮

.৮০

০০

০০

০০

.০৫

০০

০০

০০

সরকারি যানবাহন ব্যবহার

০.২৫

০.২০

০.১০

০.০৫

.১০

.০৬

.১২

.০৭

০.১৭

০.৩৫

পাট আইনে প্রাপ্তি

৫০০.০০

৪৫৪.৭৯

৫৫০.০০

৪৪৫.০২

৬,০০.০০

৪,৫১.৩২

৮,০০.০০

৪,৫৯.২১

৮০০.০০

৪২১.১৭

টেন্ডার ও অন্যান্য দলিলপত্র

-

-

-

-

০০

০০

০০

০০

০০

০০

অতিরিক্ত প্রদত্ত আদায়

১৩.০০

১১.৫৯

১৪.৫০

১১.৬৮

১৫.০০

১৪.৪৭

১৪.০০

১১.০৩

১৪.০০

১১.৩১

বিবিধ রাজস্ব প্রাপ্তি

৫০.০০

৮০.০৩

৬০.০০

৮২.৬০

৬৫.০০

২৫.০৮

৬৫.০০

১২.৪৩

৩০.০০

২.৯৩

সর্বমোট

৯৩৬.২৩

১০৬৩.২৮

১০০০.২৩

১০,৪২.৬৭

১০,৮০.১০

১০,৪০.৩৬

১৪২৯.১৭

১০২৮.৯৩

১৩৮৫.১৮

৯৮১.৯০

অর্জিত সাফল্য (%) বৃদ্ধিঃ

-

১১৩.৫৭

-

১০৪.২৭

-

৯৬.৩২

-

৭২%

-

৭১%

 

 

 

৬.৮  উল্লেখযোগ্য অর্জন :

  1. পাট আইন-২০১৭ বাস্তবায়ন;
  2. ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৩টি পাটপণ্য পরীক্ষাগারের মাধ্যমে ১৬৫৭ টি নমুনা পরীক্ষণ;
  3. ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে ৫ টি জোন কার্যালয়ের মাধ্যমে ৫৬২ টি পাটকল পরিদর্শন করে ১২৪১ টি পণ্যের গুনগত মান পরিদর্শন;
  4. পাটখাতের উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যে প্রতি বছর ৬ মার্চ জাতীয় পাট দিবস পালন;
  5. পাটপণ্যের অভ্যন্তরীন ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০ বাস্তবায়নের মাধ্যমে  ১৯ টি পণ্যে (ধান, চাল, গম, ভূট্টা, সার, চিনি, মরিচ, হলুদ, পেঁয়াজ, রসুন, ডাল, ধনিয়া, আলু, আটা, ময়দা, তুষ-খুদ-কুড়া, পোল্ট্রি ফিড ও ফিস ফিড) পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা। উল্লেখ্য সম্প্রতি পোল্ট্রি খাদ্য ও মৎস্য খাদ্য এর ক্ষেত্রেও পাটজাত মোড়ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছে;
  6. দেশের ৪৫ টি পাট উৎপাদন প্রবন জেলার ২২০ টি উপজেলায়  ৩২,৫৪৭ জন পাটচাষীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তাদেরকে আধুনিক পদ্ধতির পাট চাষের কলাকৌশল সম্পর্কে প্রশিক্ষিত করা; 
  7. প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে  পাট অধিদপ্তরের ৪৭৮ জন কর্মকর্তা/কর্মচারীর দক্ষতা বৃদ্ধি;
  8. পাটজাত পণ্যের গবেষণার লক্ষ্যে “বাংলাদেশ জুট গুডস রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং ইনষ্টিটিউট” শীর্ষক প্রকল্প পরিচালনার  উদ্যোগ গ্রহণ;
  9. বিভাগীয় পর্যায়ে পাট ভবন নির্মান শীর্ষক প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া;
    1. সরকারি কাজের ও সেবার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে দাপ্তরিক কর্মপরিবেশের উন্নয়ন এবং
    2. কর্মকর্তা/কর্মচারীদের পূর্ণাঙ্গ ডাটাবেজ তৈরী।

 

 

    চিত্রঃ(১৬-১৭)-পাট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে জনাব গোলাম দস্তগীর গাজী, বীর প্রতীক, এমপি,মাননীয় মন্ত্রী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, এর আগমন (২০.০২.২০১৯খ্রিঃ)

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

জাতীয় শোক দিবস, ২০১৮ উদযাপনে পাট অধিদপ্তর

 

 

     চিত্রঃ১৮-জাতীয় শোক দিবস ২০১৮,পাট অধিদপ্তরের শ্রদ্ধাঞ্জলী (১৫.০৮.২০১৮খ্রিঃ)       চিত্র:১৯-পাট অধিদপ্তর কর্তৃক আয়োজিত জাতীয় শোক দিবস ২০১৮ এর  
                                                                                                               আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল  উপলক্ষে  বক্তব্য প্রদান করছেন বস্ত্র ও   
                                                                                                              পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী  মির্জা আজম এম.পি (৩০.০৮.২০১৮খ্রিঃ)

        

              

                   চিত্রঃ২০- জাতীয় শোক দিবস ২০১৮ এর আলোচনা সভা ও দোয়া                   চিত্রঃ২১-জাতীয় শোক দিবস ২০১৮ এর দোয়া মাহফিল (৩০.০৮.২০১৮খ্রিঃ)

                         মাহফিল  উপলক্ষে  বক্তব্য প্রদান করছেন পাট অধিদপ্তরের

               মহাপরিচালক জনাব মোঃ শামছুল আলম (অতিঃ সচিব) (৩০.০৮.২০১৮খ্রিঃ)

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

৬,মার্চ জাতীয় পাট দিবস,২০১৯ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন জেলায় অনুষ্ঠিত পাট র‌্যালি, আলোচনা সভার  ও পাটপণ্য মেলার স্থিরচিত্র

 

 

  

               চিত্রঃ২২-রাঙ্গামাটি (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)                                           চিত্রঃ২৩- রাঙ্গামাটি (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)

 

 

             চিত্রঃ২৪-বান্দরবন (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)                                           চিত্রঃ২৫-  সাতক্ষীরা (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)

 

 

                    চিত্রঃ২৬-পাবনা (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)                                      চিত্রঃ২৭- পাবনা (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)

 

 

 

 

 

 

 

              চিত্রঃ২৮-ঝিনাইদহ (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)                                        চিত্রঃ২৯-ঝিনাইদহ (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)

 

 

              চিত্রঃ৩০- ফেনী (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)                                              চিত্রঃ৩১-ফেনী (০৬.০৩.২০১৯ খ্রিঃ)

 

 

                           

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

           ৭. বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি ২০১৮-১৯ বাস্তবায়ন

                                 

            ২০১৮-১৯ অর্থ বছরে পাট অধিদপ্তরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তির কৌশলগত উদ্দেশ্যসমূহ : [১] আইন ও বিধিমালা প্রয়োগ জোরদারকরন; [২] মানবসম্পদ উন্নয়ন; [৩] পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি; [৪]  পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবসায়ে সহায়তা এবং [৫]  পাট খাতে বিনিয়োগে সুযোগ সম্প্রসারণ  কার্যক্রমের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের হার ৯৭.৪০%।

 

     

         

         চিত্র:৩২-পাট অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে ২০১৯-২০                চিত্র:৩৩- ২০১৯-২০ অর্থ বছরের  বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি হস্তান্তর করছেন                    
          অর্থ বছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর করছেন মহাপরিচালক                        মহাপরিচালক  জনাব মোঃ শামছুল আলম (২০.০৬.২০১৯ খ্রিঃ)                                                                                   

                  জনাব মোঃ শামছুল আলম (২০.০৬.২০১৯ খ্রিঃ)                       

 

 

 

 

৮. জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন

 

          পাট অধিদপ্তরের ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, বিভিন্ন কমিটি গঠন, প্রধান কার্যালয় ও অধস্তন অফিসসমূহে সভা/সেমিনার আয়োজন, কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি ও ওয়েবসাইট হালনাগাদকরণ, ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারে উন্নয়ন, নৈতিকতা বিষয়ে কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ, অভিযোগ প্রতিকার পদ্ধতি, নির্ধারিত তারিখের মধ্যে বিভিন্ন তথ্য, পরিসংখ্যান ও প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী সফলতা অর্জিত হয়েছে।

 

 

                           চিত্রঃ (৩৪-৩৫)  পাট অধিদপ্তরের জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সভা (২৫.০৬.২০১৯ খ্রি)

 

 

 

৯. উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন অগ্রগতি

 

পাট অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘‘উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ ’’ শীর্ষক প্রকল্প বাস্তবায়ন ।

 

৯.১  প্রকল্পের পরিচিতিঃ

 

শিরোনাম

:

‘‘উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ ’’  শীর্ষক প্রকল্প

বাস্তবায়নকারী সংস্থা

:

পাট অধিদপ্তর, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়

প্রকল্পের সময়কাল

:

জুলাই, ২০১৮ হতে মার্চ, ২০২৩  পর্যন্ত  

প্রাক্কলিত ব্যয়

:

৩৭৬.৪৬ কোটি টাকা (জিওবি)

এলাকা

:

  1. (ক) পাট উৎপাদন - ৪৬টি জেলার ২৩০টি উপজেলা              
  2. (খ) পাটবীজ উৎপাদন - ৩৬টি জেলার ১৫০টি উপজেলা
  3. (গ) পাট পচন - ২৮টি জেলার ১০০টি উপজেলা

প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যমাত্রা

 

  1. জাতীয় চাহিদাপূরণের জন্য পাট ও পাটবীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ক উন্নত প্রযুক্তির সম্প্রসারণ
  2.  পাট ও পাটবীজ উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ
  3. পরিমাণগত ও গুণগতমান উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচন
  4. পাট পচনের ক্ষেত্রে নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার
  5. উন্নত পদ্ধতি ও কলাকৌশল বিষয়ে কৃষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান
  6. বীজ উৎপাদনকারী কৃষকদের নিকট থেকে বীজ ক্রয় এবং কৃষকদের মাঝে বিতরণ
  7. উন্নত প্রযুক্তিতে পাট পচনে রিবনার ব্যবহার
  8. পাট ও পাটবীজ উৎপাদনের জন্য সম্পূরক সেচের ব্যবস্থাকরণ

প্রকল্পের জনবল

 

:

  1. মোট জনবল -৫৪৩ জন

আউটসোর্সিং -৪৭২ জন

প্রেষণ/অতিরিক্ত দায়িত্ব -৬৩ জন

সরাসরি নিয়োগ-০৮ জন

 

সম্ভাব্য অর্জিত ফলাফল:

 

  1. প্রতি বছর বীজ উৎপাদন :১৫০০ মেঃটন
  2. প্রতি বছর তোষা পাট উৎপাদন : ১৪.১৭২ - ১৬.৫৩৩ লক্ষ বেল
  3. প্রতি বছর টিএলএস বীজ ক্রয় ও বিতরণ : ১০০-৩০০ মেঃটন
  4. ৫ বছরে নির্বাচিত চাষী প্রশিক্ষণ : ৪,২০,০০০ জন
  5. পাট পচনের জন্য রিবনার বিতরণ : ২,০০০ টি
  6. রিবনার ব্যবহারের মাধ্যমে উপকারভোগী : ১,০০,০০০ জন
  7. মাটির উর্বরতা এবং পরিবেশ বান্ধব চাষাবাদ বৃদ্ধি ।

 

৯.২       প্রকল্প বাস্তবায়ন  :

৯.২.১   প্রকল্পের আওতায় ৫ বছরে উফশী পাটবীজ উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা উফশী তোষা পাটবীজ উৎপাদন :

  1. চাষী – ৭৫০০০ জন
  2.  জমি – ১৫১৮০ হেক্টর
  3.  ভিত্তি বীজ বিতরণ – ৭৫ মেঃ টন
  4.  বীজ উৎপাদন – ৭৫০০ মেঃ টন

৯.২.২   প্রকল্পের আওতায় ৫ বছরে তোষা পাট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা :

  1. চাষী – ৬,৯০,০০০ জন
  2.  জমি – ৪,৬০,৯৩০ হেক্টর
  3.  প্রত্যায়িত বীজ বিতরণ – ৩৪৫০ মেঃ টন
  4.  পাট উৎপাদন – ৭০.৮৬-৮২.৬৬ লক্ষ বেল

 

 

 

 

 

৯.৩    প্রকল্পের সুবিধাভোগী জনগোষ্ঠী :

প্রকল্পটি দেশের পাট উৎপাদনকারী ৪৬টি জেলার ২৩০টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হবে।

 

প্রকল্পের প্রত্যক্ষ সুবিধাভোগী কৃষক :

পাটবীজ উৎপাদনকারী  -    ৭৫,০০০ জন

পাট উৎপাদনকারী       - ৬,৯০,০০০ জন

মোট                       - ৭,৬৫,০০০ জন

 

প্রকল্পের পরোক্ষ সুবিধাভোগী কৃষক ও পরিবারের সদস্য :

পাটবীজ উৎপাদন     -  ৩,০০,০০০ জন

পাট উৎপাদন          - ২৭,৬০,০০০ জন

মোট                    - ৩০,৬০,০০০ জন

 

৯.৪ প্রকল্পের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যমাত্রা :

  1. জাতীয় চাহিদাপূরণের জন্য পাট ও পাটবীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ক উন্নত প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং পাট ও পাটবীজ উৎপাদন বৃদ্ধিকরণ এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধি ও দারিদ্র্য বিমোচনের জন্য কৃষক কর্তৃক উৎপাদিত বীজের বিক্রয় ও বিতরণ নিশ্চিতকরণ;
  2. প্রতি বছর ৭৫,০০০ জন কৃষক (পুরুষ ও মহিলা) এর অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রায় ৩০৩৬ হেক্টর জমিতে ১৫০০ মেঃ টন উচ্চফলনশীল পাটবীজ উৎপাদন এবং নিম্নমানের পাটবীজের স্থলে উচ্চফলনশীল পাটবীজ প্রতিস্থাপন করা;
  3. প্রতি বছর ৬,৯০,০০০ জন কৃষক (পুরুষ ও মহিলা) এর অংশগ্রহণের মাধ্যমে ৯২১৮৬ হেক্টর জমিতে ১৪.১৭২ - ১৬.৫৩৩  লক্ষ বেল উচ্চফলনশীল তোষা পাট উৎপাদন করা;
  4. পরিমাণগত ও গুণগতমান উন্নয়নের মাধ্যমে সার্বিকভাবে পাটের উৎপাদন বৃদ্ধি করা;
  5. পাট পচনের ক্ষেত্রে কচুরিপানা, খড়, কনক্রিট স্লাব, বাঁশের খুঁটি ইত্যাদি ব্যবহারে পাট উৎপাদনকারী কৃষকদেরকে উদ্বুদ্ধকরণ এবং কলাগাছ, মাটি ইত্যাদি ব্যবহারে নিরুৎসাহিতকরণ;
  6. প্রকল্পের মেয়াদকালে উন্নত পদ্ধতি ও কলাকৌশল অবলম্বন করে উচ্চফলনশীল পাটবীজ উৎপাদনের জন্য মোট ৭৫,০০০ জন কৃষককে এবং গুণগতমানসম্পন্ন পাটআঁশ উৎপাদন ও পচনের জন্য ৩,৪৫,০০০ জন কৃষককে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা;
  7. বীজ উৎপাদনকারী কৃষকদের নিকট থেকে পর্যায়ক্রমে মোট ১০০০ মেঃটন প্রত্যয়িত বীজ অথবা টিএলএস বীজ ক্রয় করা এবং পাট আঁশ উৎপাদনকারী কৃষকদের মাঝে তা বিতরণ করা;
  8. আইল অথবা ক্ষেতের চারিদিকে সবজী ফসল উৎপাদনের প্রচলনের মাধ্যমে পাটআঁশ উৎপাদন মৌসুমে ২,৩০,০০০ জন কৃষক এবং পাটবীজ উৎপাদন মৌসুমে ১৫,০০০ জন কৃষকের বাড়তি আয়ের মাধ্যমে পাট ও পাটবীজ উৎপাদন খরচ হ্রাস করা; এবং
  9. উন্নত প্রযুক্তিতে পাট পচনের জন্য প্রত্যক্ষভাবে মোট ১০০০০ জন নির্বাচিত কৃষকের মধ্যে রিবনার ব্যবহার প্রচলনের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী ২,০০,০০০ জন কৃষক পরোক্ষভাবে উপকৃত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা ।

 

প্রস্তাবিত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে একদিকে কৃষকগণ উপকৃত হবেন। অন্যদিকে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি বা সম্প্রসারণ ঘটবে। ভালমানের পাটবীজ ও পাটের আঁশ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং তা অব্যাহত থাকবে আশা করা যায়।  প্রকল্পভুক্ত কৃষকদের উৎপাদিত বীজ প্রকল্পের মাধ্যমে ক্রয়, প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেটিং এবং পাটবীজ কৃষকদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা থাকায় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত বীজের ন্যায্য মূল্য পাবেন। প্রকল্পের মূল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও ফলাফল সম্পর্কিত বিষয়াদি সরকারের ৭ম পঞ্চম বার্ষিক পরিকল্পনা, দারিদ্র্য বিমোচন, স্বাস্থ্যগত উন্নয়ন, গ্রামীন মহিলাদের অংশগ্রহণ, কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ভূমিকা গ্রহণ ইত্যাদির নিশ্চয়তা বিধান করবে। যা দেশে বিদ্যমান স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা/নীতি/ কৌশলের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। বর্তমান সরকারের প্রণীত “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০”, “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার বিধিমালা, ২০১৩” এবং “পাট আইন, ২০১৭” এর প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে প্রকল্পটি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পটি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হলে আমদানীনির্ভর পাটবীজের চাহিদা অনেকাংশেই কমে যাবে। পাটজাত দ্রব্য উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। 

বর্তমান সরকারের গৌরবোজ্জল ভুমিকার পথ পরিক্রমায় জাতীয় অর্থনীতিতে পাট উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানীতে বৈদেশিক মৃদ্রা অর্জণ করে জাতি আজ গর্বিত। পাট চাষীদের প্রত্যাশা পূরণের যে শুভযাত্রা শুরু হয়েছে তা জাতীয় অর্থণীতিকে শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড় করানোর নির্মল বহি:প্রকাশ। এক্ষেত্রে মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর সময়োচিত পদক্ষেপ এবং সানুগ্রহ নির্দেশনা জাতিকে করেছে উদ্বেলিত এবং স্পন্দিত। পাটের স্বর্নোজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বিনির্মানে সুষ্ঠু পরিকল্পনার ভিত্তিতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় নিরন্তর কাজ করে যাচ্ছে। উৎকৃষ্ট জমি ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বের সেরা মানের পাট উৎপাদন করে আসছে। জাতীয় অর্থনীতিতে পাট খাতের অবদান হ্রাস পেলেও এখনও দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রা অর্জণের ক্ষেত্রে পাট খাতের অবদান গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

 

 

 

৯.৫ বাস্তবায়ন অগ্রগতিঃ

 

  1. পাট চাষী প্রশিক্ষণ: ৩০ হাজার পাটচাষীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
  2. জনবল নিয়োগ: সরাসরি ১২ জন জনবলকে ইতোমধ্যে নিয়োগ করা হয়েছে। আউটসোর্সিং পদ্ধতিতে ২৪২ জন জনবল নিয়োগ এ মাসের মধ্যেই সম্পন্ন হবে।
  3. অফিস ভাড়া: প্রধান কার্যালয় এবং মাঠ পর্যায়ে ১৩০টি অফিস ভড়া নেওয়া হয়েছে বাকি ১০০টি অফিস ভাড়ার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
  4. আসবাপত্র ক্রয়: প্রধান কার্যালয়ের জন্য আসবাপত্র, কম্পিউটার ও ফটোকপি মেশিন ক্রয় করা হয়েছে।
  5. প্রকল্পভুক্ত কৃষকদের মাঝে প্রত্যয়িত ও ভিত্তি পাটবীজ বিতরণ:

      প্রত্যায়িত পাটবীজ: ১১৭.১৫ মে.টন (পাট উৎপাদন) এবং ভিত্তি পাটবীজ: ৫.৬০ মে.টন (বীজ উৎপাদন) বিতরণ করা হয়েছে।

  1. গাড়ি ক্রয়: ১টি মাইক্রোবাস এবং ১টি ডাবল কেবিন পিকআপ ক্রয় করা হয়েছে।

 

৯.৬ পাটচাষী ভাইদের জন্য জ্ঞাতব্য

 

  1. দেশে পরীক্ষিত উন্নত পাটবীজ ব্যবহার করে পাটের ফলন ও মান বাড়ান। বেশী করে ও-৯৮৯৭ তোষা পাটবীজ বপন করুন ;
  2. পরীক্ষিত ও নিজস্ব বীজ ছাড়া অন্য বীজ জমিতে বপন করবেন না ;
  3. প্রয়োজনমত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক সময়মত জমিতে প্রয়োগ করুন ;
  4. সময়মত পাট ক্ষেতের আগাছা পরিস্কার করুন এবং পোকামাকড় দমন করুন ;
  5. পাট চাষে জমির ফলন শক্তি বাড়ে, কাজেই অধিক পরিমাণে পাট চাষে এগিয়ে আসুন ;
  6. পাট গাছে ফুলের কুড়ি আসলেই পাট কাটার ব্যবস্থা করম্নন। মোটা ও চিকন পাট গাছ আলাদাভাবে আঁটি বাধুন ;
  7. পাটের জাগে মাটি দিলে আঁশ খারাপ হয়। কাজেই উহা পরিহার করুন। পরিস্কার পানিতে পাট জাগ দিন ;
  8. ছাল পচন পদ্ধতি (রিবন রেটিং) একটি স্বাস্থ্যসম্মত পাট পচন ব্যবস্থা। কাজেই যেখানে পানির অভাব সেখানে ছাল পচন পদ্ধতি অবলম্বন করুন ;
  9. পাট পচনের উপরই আঁশের গুনাগুন নির্ভর করে। কাজেই পাট একটু বেশী পচানোর চেয়ে কম পচানো ভাল ;
  10. মাটিতে বা রাস্তায় পাট শুকালে মান কমে যায়। কাজেই বাঁশের আড়া বা রেলিং এ পাট শুকানোর ব্যবস্থা করুন ; এবং
  11. পাটের গ্রেড জেনে নিয়ে সঠিক মূল্য আদায় করুন। এ ব্যাপারে পাট অধিদপ্তর ও প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নিন।

 

 

 

               চিত্রঃ৩৬-জামালপুর জেলায় “উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন       চিত্রঃ৩৭-প্রকল্প বাস্তবায়ন সমস্যা ও অগ্রগতি  বিষয়ে কর্মশালা (২০.০৬.২০১৯ খ্রিঃ)

               এবং সম্প্রসারণ” প্রকল্প এর আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করছেন বস্ত্র ও 

               পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী  মির্জা আজম এম.পি (২২.০৯.২০১৮ খ্রিঃ)

  

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

                                      চিত্রঃ (৩৮-৩৯) সিরাজগঞ্জ জেলার বেলকুচী উপজেলায় পাটচাষী প্রশিক্ষণ (২২.০৬.২০১৯ খ্রিঃ)

 

 

 

চিত্রঃ৪০-টাঙ্গাইল জেলার বাসাইল উপজেলায় পাটচাষী প্রশিক্ষণ (২৫.০৬.২০১৯ খ্রিঃ) চিত্রঃ৪১-টাঙ্গাইল জেলায়  চাষীদের মধ্যে ব্যাগ ও সন্মানী বিতরন (৩০.০৬.২০১৯ খ্রিঃ)

 

 

                          চিত্রঃ (৪২-৪৩) মেহেরপুর (২৬.০৬.২০১৯ খ্রিঃ) ও কুড়িগ্রাম (১৯.০৬.২০১৯ খ্রিঃ) জেলার পাটচাষী প্রশিক্ষণ 

 

 

 

 

১০. উত্তম চর্চা, সদাচার, উদ্ভাবন (ইনোভেশন)

 

১০.১  উত্তম চর্চা :

  1. সেবা প্রত্যাশীদের জন্য পাট অধিদপ্তরের সেবাসমূহ সহজীকরন ;
  2. পাট ও পাটপণ্য ব্যবসার লাইসেন্স প্রদানের জন্য আপডেট সিটিজেন চার্টার প্রণয়ন ও ওয়েব সাইটে প্রকাশ করা হয়েছে;
  1. পাটের প্রাথমিক হাটবাজারে ভিজা পাট ক্রয় বিক্রয় রোধকল্পে জেলা প্রশাসনের সহায়তায় ভিজা পাটের কুফল সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে পাট অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক প্রচারণা কার্যক্রম গ্রহণ ;
  2. পাটের অভ্যন্তরীন ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘‘পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন-২০১০’’ প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে পোস্টার, লিফলেট বিতরণ এবং পত্রিকায় গণবিজ্ঞপ্তি প্রচার ;
  3. লাইসেন্স প্রত্যাশী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের নিকট দ্রুততম সময়ে লাইসেন্স প্রদানের জন্য সরকারি কোষাগারে ফি জমা প্রদানের চালানসমূহ অন-লাইনে ভেরিফিকেশন ;
  4. পাটকলে উৎপাদিত পাটপণ্যের গুণগত মান সঠিক রাখার লক্ষ্যে পাট অধিদপ্তরের ৩টি পাটপণ্য পরীক্ষাগারের মাধ্যমে বিনামূল্যে নমুনা পরীক্ষা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিতকরণ;
  5. পাট অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন এর যৌথ উদ্যোগে টিম গঠন করে সরকারি মিলের উৎপাদিত পণ্যমান যাচাই করা ;
  6. ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে তথ্য সেবা নিশ্চিতকরণ ;
  7. ওয়ান স্টপ সার্ভিসের মাধ্যমে সেবা প্রত্যাশীগণের সেবা প্রদান সহজীকরণ করা ।

 

১০.২  সদাচার :

  1. ইনহাউজ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি সদাচারের উপযোগিতা গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরা ;
  2. পাট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে জ্ঞানভিত্তিক কর্মপরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে গ্রন্থাগার স্থাপন ;
  3. অভ্যাগত সেবা প্রত্যাশীদের জন্য অতিথি কক্ষ স্থাপন ।

 

১০.৩  উদ্ভাবন (ইনোভেশন) :

  1. সরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহ কর্তৃক আয়োজিত সেমিনার ও প্রশিক্ষণসমূহে পাটের ব্যাগ ব্যবহার বিষয়ে অনুরোধ পত্র প্রেরণ ;
  2. প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে সরকারি বই বিতরণের সময় পাটের ব্যাগ প্রদানের জন্য পত্র প্রদান;
  3. সরকারি দপ্তর ও সংস্থায় পাটের সামগ্রী ব্যবহার বিষয়ে পত্র দেয়া ;
  4. পাট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়কে ধুমপানমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। অভ্যাগতদের ধুমপানের জন্য আলাদা জোন তৈরী করা হয়েছে;
  5. পাট ও পাটজাত পণ্যের অভ্যন্তরীণ ব্যবহার বৃদ্ধি ও পরিবেশ সুরক্ষার লক্ষ্যে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্বুদ্ধকরণের জন্য প্রামাণ্য চিত্র তৈরী, বিতরণ ও প্রদর্শনের ব্যবস্থাকরণ ।

                                   

১১. ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের জন্য অধিদপ্তরের কার্যক্রম

 

  1. “ডিজিটাল সার্ভিস বাস্তবায়ন রোডম্যাপ-২০২১”-শীর্ষক প্রকল্পের সাথে সংযুক্ত হওয়া।
  2. মাঠ পর্যায়ের প্রায় সকল কার্যালয় সমূহের আলাদা ওয়েবসাইট তৈরী।
  3. মাঠ পর্যায়ের  সকল কার্যালয় সমূহের সিটিজেন চার্টার প্রণয়ন করে ওয়েবসাইটে প্রকাশ।
  4. পাট অধিদপ্তরের সভাকক্ষ আধুনিকায়নসহ ভিডিও কনফারেন্স সংক্রান্ত যন্ত্রপাতি স্থাপন;
  1. পাট অধিদপ্তর কর্তৃক পাট ব্যবসায়ের বিভিন্ন শ্রেণির লাইসেন্সের আবেদন অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহণ ও প্রসেসিং এর লক্ষ্যে ‘অন-লাইন লাইসেন্সিং’ এর সফটওয়্যার নির্মাণ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং পাট অধিদপ্তরের ওয়েব সাইটে সংযুক্ত করে কার্যক্রম শুরু হয়েছে;
  2. পাট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের দৈনিক হাজিরা প্রদান বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে আঙ্গুলের ছাপের মাধ্যমে যথাসময়ে অফিসে আগমন ও প্রস্থান নিশ্চিত করা হয়েছে;
  3. পাট অধিদপ্তর ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টালে যুক্ত হয়েছে। পাট অধিদপ্তরের ওয়েব ঠিকানা www.dgjute.gov.bdপাট অধিদপ্তরের বিভিন্ন বিষয়াদি ওয়েবসাইটে নিয়মিত আপলোড ও হালনাগাদকরণ অব্যাহত রয়েছে ;
  4. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাটের ভূমিকা আলোচনা , প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে পাট অধিদপ্তরের দাপ্তরিক ফেসবুক পেজ (http://www.facebook.com/dgjutegov) বাংলায় ‘পাট অধিদপ্তর,বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়’ তৈরি করা হয়েছে ;
  5. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগামের আওতায় পাট অধিদপ্তরে ই-ফাইল সিষ্টেম চালু করা হয়েছে ;
  6. পাট অধিদপ্তরের কর্মকর্তা/কর্মচারীদের ডাটাবেইজ (PDS) তৈরিকরণ সম্পন্ন হয়েছে । কর্মকর্তা/কর্মচারীদের প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ ও ডাটা বেইজে তথ্য আপলোড প্রক্রিয়াধীন ;
  7. পাট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে  বহিরাগত অতিথি ও সাধারনের প্রবেশ পর্যবেক্ষণ ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং সার্বক্ষনিক মনিটরিং করা হচ্ছে ;
  8. সরকারি ক্রয় কার্যক্রম ই-জিপি সিষ্টেমে সম্পন্নকরণের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে পাট অধিদপ্তর ই-জিপিতে রেজিষ্ট্রেশনভূক্ত হয়েছে ।

                                 

                                      

১২.পাটখাতের সম্ভাবনা ও সীমাবদ্ধতা

 

১২.১ পাটখাতের সম্ভাবনা:

  1. উচ্চফলনশীল পাটবীজ ও উচ্চমান সম্পন্ন পাট উৎপাদন;
  2. স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক চাহিদার সাথে সংগতি রেখে পাটপণ্যের বহুমুখীকরণ;
  3. প্রতিযোগিতাসক্ষম পাটপণ্য উৎপাদনের উপযোগি করে পাটশিল্পের পাটকলসমূহের আধুনিকায়ন;
  4. পাট ও পাটপণ্যের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণ;
  5. পাটখাতের উন্নয়নে সরকার কর্তৃক প্রণোদনা প্রদান;
  6. পাটখাতে দেশি বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের উদ্যোগ গ্রহণ;
  7. নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ ও নতুন ডিজাইন উদ্ভাবনে গবেষণা ও উন্নয়ন এবং    
  1. “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন,২০১০” বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধি।

 

১২.২ পাটখাতের সীমাবদ্ধতা:

  1. দেশে উচ্চ ফলনশীল পাটবীজের অভাব ;
  1. লবণাক্ত মাটিতে পাটচাষ;
  2. পাটপঁচনে পানির স্বল্পতা;
  3. কাঁচাপাটের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি;
  4. গ্রেডিং অনুযায়ি ন্যায্য মূল্য না পাওয়া;
  5. মধ্যস্বত্ব ভোগীদের দৌরাত্ম;
  6. গুণগত মানসম্পন্ন পাটজাত পণ্য উৎপাদনে আধুনিক মেশিনারিজের অভাব এবং
  7. পলিথিন/পলিপ্রোপাইলিন এর  সাথে পাটজাত পণ্যের প্রতিযোগিতা।

                                        

১৩. সমস্যা ও চ্যালেঞ্জ

 

১৩.১  সমস্যা :

  1. অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ও মাঠ পর্যায়ের নিজস্ব অফিস ভবন নেই ;
  2. অধিদপ্তরের অর্গানোগ্রামে মাঠ পর্যায়ে ২২ টি জেলায় কোন অফিস/পদ নেই ;
  3. প্রয়োজনের তুলনায় জনবলের স্বল্পতা এবং
  4. সমাপ্ত প্রকল্পের জনবল আত্মীকরণ জটিলতা ।

 

১৩.২ চ্যালেঞ্জ :

  1. জনবলের স্বল্পতা থাকা সত্বেও পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ শতভাগ বাস্তবায়ন;
  2. প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সময়োপযোগী ও দক্ষ জনবল তৈরী;
  3. অনলাইনে লাইসেন্স প্রদানসহ পাট অধিদপ্তরের সেবাসমূহ ডিজিটালাইজেশনের আওতায় আনা;
  4. ডেমরা-ঢাকা, চট্রগ্রাম এবং খুলনা পাটপণ্য পরীক্ষাগার সংস্কার করা ;
  5. মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের পদ উন্নীতকরণ এবং
  6. বিভাগীয় পর্যায়ে পাট অধিদপ্তরের অফিস/পদ সৃজন ।

 

১৪. ২০১৯-২০ অর্থ বছরের কর্মপরিকল্পনা

 

  1. জনবল নিয়োগের মাধ্যমে অধিদপ্তরের শূণ্য পদ  পূরণ করা;
  2. কর্মকর্তা-কর্মচারীগণের তথ্য সম্বলিত পিডিএস প্রস্তত করা ;
  3. প্রশিক্ষণের মাধ্যমে  জনবলের দক্ষতা বৃদ্ধি করা ;
  4. সেবা সহজীকরণের নিমিত্ত চালুকৃত অনলাইন লাইসেন্সিং ব্যাপক সম্প্রসারণ করা ;
  5. শতভাগ ই-নথি ও ই-জিপি চালু করা এবং
  6. অবশিষ্ট (২২ টি) জেলায় পাট অধিদপ্তরের অফিস ও পদ সৃজনের উদ্যোগ গ্রহণ ।

 

 

 

 

 

 

১৫. পাট অধিদপ্তরের স্বল্প মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী কর্মপরিকল্পনাঃ

 

          ১৫.১ স্বল্প মেয়াদী (১০০ দিনের):

১.   মাঠ পর্যায়ের সকল অফিস পরিদর্শন।

২.   পাট অধিদপ্তরের নিয়োগ বিধিমালা হালনাগাদকরণ।

৩.   দেশের সকল জেলায় জনবল সুবিন্যস্তকরণের লক্ষ্যে পাট অধিদপ্তরের অর্গানোগ্রাম সংশোধন।

৪.   বহুমুখী পাটজাত পণ্যের গবেষণা, উদ্ভাবন, উৎপাদন এবং ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনার
      নিমিত্ত “ বাংলাদেশ বহুমুখী পাটজাত পণ্যের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট” শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের
      ডিপিপি প্রণয়ন।

৫.  “পাট আইন,২০১৭” এবং “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন,২০১০” সুষ্ঠুভাবে
      বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ে পাট অধিদপ্তরের নিজস্ব অফিস ভবন স্হাপনের লক্ষ্যে সকল জেলায় “৬৪
      জেলায় পাট ভবন নির্মাণ” শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন।

৬.  পাটচাষি, পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবসায়ী এবং পাটজাত মোড়ক ব্যবহারকারী সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের
     নিয়ে ৮টি বিভাগীয় শহরে ০১টি করে সেমিনার/মতবিনিময় সভার আয়োজন।

৭.   প্রকল্পের আওতায় উপকারভোগী পাট উৎপাদকারি ৬ লক্ষ ৯০ হাজার জন এবং পাটবীজ উৎপাদনকারি ৭৫

      হাজার জন পাটচাষির তালিকা প্রণয়ন, ডেটাবেজ তৈরী ও আইডি কার্ড প্রদান।

৮.  প্রকল্পের আওতায় ২৩০টি উপজেলার ৬ লক্ষ ৯০ হাজার জন পাটচাষির মধ্যে বিনামূল্যে ৬৯০মে:টন

      উন্নতজাতের উফশী পাটবীজ বিতরণ।

 

            ১৫.২  মধ্য মেয়াদী (১ বছর):

১.   “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন,২০১০” সংক্রান্ত উদ্ভুত রিট মামলাসহ সবধরণের
        মামলা নিস্পত্তিকরণের পদক্ষেপ গ্রহণ।

২.    ২০টি অডিট আপত্তি নিষ্পত্তিকরণ।

৩.    রাজস্বখাত ও প্রকল্পের জনবল নিয়োগ সম্পন্নকরণ।

৪.    পাটবীজের আমদানী নির্ভরতা হ্রাসকরণ, কমজমিতে অধিক পরিমান পাট উৎপাদন এবং পাটের গ্রেডিং ও
        পাট  পঁচন ইত্যাদি সম্পর্কে পাটচাষি, পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবসায়ি ও ব্যবসায়ি প্রতিনিধিদের
        সমন্বয়ে  প্রকল্পভুক্ত  ৪৬টি জেলায় চাষি সমাবেশ/মতবিনিময় সভার আয়োজন।

৫.   পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং পাট পঁচনের কলাকৌশল সম্পর্কে প্রকল্পের আওতায় ২৩০টি উপজেলায়
       মোট ৩৪ হাজার ৫শত জন পাট ও পাটবীজ উৎপাদকারি চাষীকে প্রশিক্ষণ প্রদান।

৬.  পাটখাতের সার্বিক উন্নয়ন বিষয়ে সকল স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে ঢাকায় একটি জাতীয় সেমিনার এর
       আয়োজন।

৭.    দক্ষ জনবল তৈরীর লক্ষ্যে রাজস্ব ও প্রকল্পে কর্মরত ২৭১জন কর্মকর্তা/কর্মচারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান

           

১৫.৩ দীর্ঘ মেয়াদী (৫ বছর):

১.  স্হানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার চাহিদার সাথে সংগতি রেখে পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে
      পাট উৎপাদন প্রবন এলাকায় “জুট পল্লী” স্হাপন।

২.   পাট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের জন্য “পাট ভবন নির্মান” প্রকল্প গ্রহণ

৩. রাজস্বখাতের অধীন অনুন্নয়ন বাজেটের আওতায় পিপিএনবি প্রণয়ন পূর্বক পাট অধিদপ্তরের ০৩টি
      ল্যাবরেটরি ভবন (ডেমরা,চট্রগ্রাম ও খুলনা) সংস্কার ও আধুনিকায়ন ।

৪.   বহুমুখী পাটজাত পণ্যের গবেষণা, উদ্ভাবন, উৎপাদন এবং ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে কার্যক্রম পরিচালনার     
     নিমিত্ত “বাংলাদেশ বহুমুখী পাটজাত পণ্যের গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট” শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্প স্তবায়ন।

৫. “পাট আইন,২০১৭” এবং “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন,২০১০” সুষ্ঠুভাবে
     বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রাথমিকভাবে পাট অধিদপ্তরের নিজস্ব অফিস ভবন স্হাপনের লক্ষ্যে বিভাগীয় পর্যায়ে “ ৮ বিভাগে  
      পাট  ভবন নির্মাণ” শীর্ষক উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন।

৬. সার্বিক পাটখাত উন্নয়নে বিদেশী বিনিয়োগে আকৃষ্ট করার লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় ০১টি আন্তর্জাতিক       
     সেমিনারের আয়োজন।

৭.   কৃষকরা যাতে ন্যায্যমূল্য পায় সে জন্য অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার
      বৃদ্ধি, নতুন নতুন বাজার অনুসন্ধান ইত্যাদি কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।

৮.  “পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধতামূলক ব্যবহার আইন,২০১০” শতভাগ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে  মাঠ প্রশাসনের
     সহায়তায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা নিশ্চিতকরণ (চলমান প্রক্রিয়া)।

৯.   উফশী জাতের পাটবীজের আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করে পাটবীজ উৎপাদনে পাটচাষিদের আত্মনির্ভরশীল
        করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে “উন্নত প্রযুক্তি নির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারণ” শীর্ষক প্রকল্প
       বাস্তবায়ন।

 

১৬.জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম শতবর্ষে  ‘মুজিববর্ষ’ উদযাপন উপলক্ষে পাট অধিদপ্তরের সম্ভাব্য কর্মসূচি

 

ক্রমিক নং

বিবরণ

মন্তব্য

১.

দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার মাধ্যমে মুজিববর্ষের শুভ সূচনা।

১৭, মার্চ, ২০২০ খ্রি:

২.

৮(আট)টি বিভাগীয় শহরে বর্ণাঢ্য পাট র‌্যালি/পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা আয়োজন।

জুন/২০২০ হতে

ডিসেম্বর/২০২০

৩.

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ভাবাদর্শ সম্পসারণে দেশব্যাপি জেলা পর্যায়ে পাটচাষী সমাবেশ/পাট ও পাটজাত পণ্যের উৎপাদন ও ব্যবহার বৃদ্ধির বিষয়ে উদ্বুদ্ধকরণ সভা এবং বঙ্গবন্ধুর জীবনাদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক আলোচনা।

এপ্রিল/২০২০ হতে ডিসেম্বর/২০২০

৪.

বাংলার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাথে সংশ্লিষ্ট সোনালী আঁশ পাট নিয়ে জাতির পিতার স্মৃতি ও ভাবনা বিজড়িত প্রামান্য চিত্র তৈরি এবং দেশব্যাপি প্রদর্শন।

এপ্রিল/২০২০ হতে ডিসেম্বর/২০২০

৫.

বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বির্নিমাণে পরিবেশবান্ধব পাট ও পাটপণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির লক্ষ্যে পোস্টার-লিফলেট মুদ্রণ  এবং দেশব্যাপি বিতরণ।

মার্চ, ২০২০ খ্রি:

৬.

পাট আইন, ২০১৭ ও পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন, ২০১০ বাসত্মবায়ন এবং পরিবেশ রক্ষায় পাট বিষয়ক কর্মশালা/সেমিনার আয়োজন/গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও মিডিয়াতে প্রচার।

মার্চ/২০২০ হতে মার্চ/২০২১

৭.

জাতির পিতার স্মৃতি বিজড়িত টুঙ্গিপাড়া এবং তাঁর সমাধিস্থল ভ্রমণ/পরিদর্শন।

নভেম্বর/২০২০ হতে ডিসেম্বর/২০২০

৮.

ঢাকাস্থ পাট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ে পাট বিষয়ে জাতির পিতার উক্তি ও ছবি সম্বলিত ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড স্থাপন।

মার্চ, ২০২০ খ্রি:

৯.

পাট অধিদপ্তরের কর্মরত/অবসরপ্রাপ্ত  মুক্তিযোদ্ধা কর্মকর্তা/কর্মচারীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান।

ডিসেম্বর ২০২০ খ্রি:

১০

মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও পাট খাত বিষয়ে তথ্য সমৃদ্ধ একটি স্মরণিকা প্রকাশ।

মার্চ, ২০২১ খ্রি:

১১.

জাতির পিতার আদর্শে নতুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে শিশু কিশোরদের রচনা/চিত্রাংকন প্রতিযোগিতার আয়োজন।

ডিসেম্বর/২০২০

১২.

পাটচাষ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রকল্পের আওতায় ২৫,০০০ হাজার পাটচাষীকে প্রশিক্ষণ প্রদান।

আগষ্ট/২০২০ হতে ডিসেম্বর/২০২০

 

 

 

 

 

      

       

চিত্র:৪৪- পাট ক্ষেত

 

 

 

 

 

 

 

 

 

‘‘পাটের গ্রেডিং বা আঁশের শ্রেণী বিন্যাসের গুরুত্ব’’

 

মোঃ আছাদুজ্জামান

 

আঁশ শ্রেণীকরণের পদ্ধতি:

পাটের গ্রেডিং বা আঁশের শ্রেণীকরণ করা হয় আঁশের মান অনুযায়ী। দেশের অভ্যন্তরীণ কিংবা বৈদেশিক বাজারে পাটের তথা আঁশের শ্রেণীকরণ গুরম্নত্বপূর্ণ বিষয়। আঁশের মানভেদে গ্রেডিংভেদ । গ্রেডিংভেদে পাটের দামভেদ। অদ্যাবধি আঁশের শ্রেণীবিন্যাস সেকেলে । সনাতন। অভিজ্ঞ দালাল ফড়িয়া হাত দিয়ে ধরে পাটের আঁশ যাচাই করে। সেই সাথে চোখের দৃষ্টির নিরিখ। এই দেখা ও ধরার আন্দাজ নির্ভর (Mannual)  পদ্ধতিতেই আঁশের  গ্রেডিং হয়ে আসছে। এতে সমস্যা অনেক। অন্যতম সমস্যা হলো একই আঁটি বা বোঝার মধ্যে বিভিন্ন মানের আঁশ থাকে।  পাটচাষী  আঁশের গ্রেডিং  সম্বন্ধে ওয়াকেবহাল নন। ফলে বাজারে নেয়ার  আগে তার পাটের বাছাই (Assortment)  হয় না। এতে করে খুদ উৎপাদনকারী  ঠকে যাচ্ছেন। তার পাটের আঁশের বোঝায় বেশির ভাগ মিডল ও বি-বটম মানের আঁশ  থাবলেও কিছু কিছু সি-বটম আঁশের কারণে  ফড়িয়া-দালাল তাকে সি-বটম মানের দাম দেয়।  এ পরিস্থিতি থেকে আদতে বাংলার পাট চাষীর নিষ্কৃতি আজো মিলেনি।  অথচ আাঁশের গ্রেডিংয়ে অভিজ্ঞ ফড়িয়াগণ ঠিকই মিলারদের কাছ থেকে গ্রেডভিত্তিক মূল্য আদায় করে নেন। উদীচীর সেই গান- ডিম পাড়ে হাঁসে , খায় বাগডাসে –আজো সমান সত্যি। বাংলার দু:খ আজো কোন বাঙালি বিজ্ঞানী পাট গ্রেডিংয়ের বৈজ্ঞানিক যন্ত্র আবিষ্কার করতে পারেননি। করেননি। পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কার করেছি আমরা। অর্থাৎ আমরা পারি। গ্রেডিং নির্ণয়ক যন্ত্রও আমাদেরকেই তৈরী করতে হবে। তা নইলে আমাদেরি বাপ চাচা পাটচাষীগণ ভবিষ্যতেও ঠকতে থাকবেন। তা কাম্য নয়।

কাঁচা ও পাকা:

শ্রেণীবিন্যাস দুই ধরণের হতে পারে। কাঁচা বা কাচ্চা। দ্বিতীয়ত পাকা বা পাক্কা শ্রেণীবিন্যাস। আঁশের গোড়ার দিকে সাধারণত শক্ত ছাল থাকে। ছালে কাল কাল দাগ থাকে। এই শক্ত অংশটা বাকল রকম দারুচিনি হয়।  তবে দারুচিনির মতো অত শক্ত নয়। আঁশ পৃথক হয় না। আঁচড়ালে চুলের মতো হয় না। এই ছালযুক্ত অংশসহ  পাটের শ্রেণীবিন্যাস করা হলে তা কাঁচা শ্রেণীকরণ।আর যদি ছালযুক্ত অংশ কেটে আলাদা  করা হয়। তাহলে ভাল আঁশযুক্ত অংশটা পাকা শ্রেণীবিনাস্যের অন্তর্ভূক্ত ।

জাত:

পাট সাধারণত দুই জাতের । দেশি ও তোষা। সাদা পাটের বৈজ্ঞানিক নাম-করকরাস ক্যাপসুলারিজ,তোষা পাটের  করকরাস অলিটরিয়াস  দেশি পাটের আরেক নাম সাদা বা সূতি। তোষার অন্য নাম বগী। দেশীয় পাটের রঙটা সাধারণ মানের সাদা। তাই তা সাদা নামে খ্যাত। তোষা পাটের আঁশ বকের মতো ধবধবে সাদা। তাই তা বকই বা বগি। স্বভাবভেদে দুই জাতের জন্মস্থান ভিন্ন হয়। দেশি পাট নামা (নিচু) জমিতে হয়। তা জল সহনীয়। এর উচ্চতা তুলনামূলকভাবে কম। পক্ষান্তরে তোষা পাট জল সহনীয়  নয়। তোষার জমিতে বন্যার জল উঠলে পাট গাছ ডুবার দিনই মরতে থাকে। এজন্যে একটু উঁচু জমিতে তোষার চাষ করতে হয়। দুই জাতের পাট পাতার রসায়ন ভিন্ন। দেশি পাটের পাতা তেতো বা তিতা। তাই তা শাক হিসেবে বেশি উপকারী । তোষা পাটের আঁশ লম্বা । দেশির চেয়ে তোষা পাটগাছ বা পাট খড়ি বেশি লম্বা হয়। তোষার চেয়ে জলসহনীয় বলে দেশির গোড়ায় শেকড় বেশি হয়। এতে ছাল মোটা হয়। কাটিং বেশি হয়।

দেশি বা তোষা যা-ই হোক, অভ্যন্তরীণ মোকাম থেকে পাট বেলিং সেন্টারে চলে আসে রপ্তানীর জন্য । তখন কাটিং বাদ দিয়ে নিরেট আঁশের অংশকে রঙ, মজবুত ও মসৃনতার ভিত্তিতে গুণগতভাবে শ্রেণীকরণ করা হয়। এই শ্রেণীকরণই হচ্ছে পাকা শ্রেণীকরণ।

 

 

 

 

 

বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (BSTI) পাকা শ্রেণী-বিন্যাসকালে পাঁচটি শ্রেণীতে দেশী ও তোষা জাতের আমাকে বিভক্ত করেছে। নিম্নবর্ণিত ছকে তা তুলে ধরা হলো:

পাটের গ্রেডিং

শ্রেণী

জাত: সাদা/সূতি

জাত: তোষা/বগি

টপ

আঁশ খুব শক্ত,পুরোপুরি লম্বা।রঙ-সাদা বা মাখন সাদা ।দুধের সর বা পনির মতো সাদা বা উজ্জ্বল সাদা;হালকা সোনালী; চমৎকার উজ্জ্বলতা বা দীপ্তি। দোষমুক্ত আঁশ। ওজনের নিরিখে বড় জোর ১৫% ভাগ কাটিং বা কেটে ফেলা হয়। কাটিং বাদ দিলে আঁশের যে বড় অংশ থাকে তা স্পেশাল  বা বাংলাদেশ সাদা স্পেশাল (Bangladesh white special –BWSP)  ‍হিসেবে গণ্য হয় পাক্কা বেলে।

আঁশ খুব শক্ত, উত্তমরূপে (good) সাদা; মাখনসাদা বা রাঙা অর্থাৎ সোনালী থেকে মাখনসাদা । আঁশ দোষমুক্ত। ওজনের নিরিখে বড় জোর ১৫% ভাগ কাটিং হয় বা বাদ পড়ে। কাটিং বাদে যে অংশ থাকে  তা স্পেশাল  বা বাংলাদেশ তোষা স্পেশাল(Bangladesh Tosa special –BTSP)  ‍হিসেবে গণ্য হয় পাক্কা বেলে।

 

 

 

বি:দ্র: সাদা ও তোষা (তথা দেশী ও বগি) আঁশের মূল পার্থক্য সোনালী  রঙ; তোষা সোনালী হয়; সাদা বা দেশী জাতের পাট সোনালী হয় না। উভয়  জাতের আঁশ স্পেশাল হিসেবি গণ্য হয়।

মিডল

আঁশ  শক্ত ও লম্বা। রঙ-সাদা থেকে হালকা লালচে ও উজ্জ্বল। দোষমুক্ত আঁশ। কাটিং বড় জোর ২০% ভাগ । পাকা বেলের নিরিখে মিডল মানের  আঁশ। বাংলাদেশ সাদা  ‘এ’ শ্রেণী (Bangladesh white- A)বলে গণ্য হয়।

আঁশ  শক্ত ও লম্বা। রঙ উজ্জ্বল রূপালী এবং ধূসর থেকে সোনালী।  দোষমুক্ত পরিচ্ছন্ন আঁশ। কাটিং বড় জোর ১৫% ভাগ। পাকা বেলের নিরিখে মিডল মানের আঁশ  বাংলদেশ তোষা  ‘এ’ শ্রেণী (Bangladesh Tosa- A) রূপে গণ্য।

 

বি:দ্র: মিডল মানের সাদা বা দেশী জাতের আঁশের  রঙ সাদা থেকে লালচে হয়। বগি বা তোষা জাতের আঁশের রঙ ধূসর থেকে সোনালী হয়। তাছাড়া সাদার ক্ষেত্রে কাটিং ২০% ভাগের বেশি নয়। তোষার ক্ষেত্রে কাটিং ১৫% ভাগের বেশি হয় না।

বি- বটম

আঁশ  শক্ত ও লম্বা। আঁশ দোষমুক্ত । রঙ ধূসর রূপালী।

কাটিং  ২৫% ভাগের বেশি নয় । পাকা বেলের নিরিখে বি-বটম মানের আঁশকে বাংলাদেশ সাদা ‘বি’ (Bangladesh white B-BWB) রূপে পরিগণিত হয়।

আঁশ  শক্ত ও লম্বা।  আঁশ দোষমুক্ত। রঙ উজ্জ্বল রূপালী ধূসর লালচে। কাটিং ২০% ভাগের বেশি নয়।পাকা বেলের নিরিখে বি-বটম মানের আঁশকে বাংলাদেশ তোষা ‘বি’ (Bangladesh Tosa B-BTB) রূপে  পরিগণিত হয়।

 

বি:দ্র: বি- বটম মানের সাদা বা দেশী পাটের আঁশের  রঙ-ধূসর রূপালী ও খড়ের মতো। আর তোষা বা বগি পাটের আশের রঙ-উজ্জ্বল রূপালী ও ধূসর লালচে। দেশী কাটিং বড় জোর ২৫% ভাগ। তোষা কাটিং বড় জোর ২০% ভাগ।

সি-বটম

গড়পড়তা শক্ত আঁশ। কাল ব্যতীত যে কোন রঙ। সাধারণ মানের উজ্জ্বল। নিস্তেজ বা নিষ্প্রভ (Dull) আঁশ থেকে মুক্ত। শক্ত এবং আঠালো বা জটলা আঁশ থেকে শক্ত। পরিচ্ছন্ন সোজা আঁশ।  কাটিং এর পরিমাণ বড় জোর ৩০% ভাগ । পাকা বেলের নিরিখে সি-বটম মানের  আঁশকে বাঙলাদেশ সাদা ‘সি’ বা BWC(Bangladesh white-C  রূপে গণ্য করা হয়।

গড়পড়তা শক্ত আঁশ। যে কোন রঙ। কঠিন শক্ত নয় এবং কাল তারের মতো(Black Wire) অগ্রভাগ নয়। কিছুটা আঠালো। পরিচ্ছন্ন আঁশ। ওজনের নিরিখে কাটিং বড় জোর ২০% ভাগ।  পাকা বেলের ক্ষেত্রে সি বটম মানের আঁশকে বাংলদেশ তোষা ‘সি’ বা BTC(Bangladesh Tosa-C) হিসেবে বুঝানো হয়।

 

বি:দ্র: সি-বটম মানের সাদা বা দেশী পাটের আঁশ সাধারণত উজ্জ্বল আঠালো নয়। তোষা বা বগি পাটের আঁশ যে কোন রঙের হয় এবং সামাণ্য আঠালো। সাদার কিটিং সর্বোচ্চ ৩০% বিন্তু তোষার কাটিং ২০% ভাগ সর্বোচ্চ। 

 

ক্রস-বটম

আঁশ যে কোন  রঙের। যে কোন শক্তিমানম্পন্ন । আঁশে শুকনা ছাল (Light specks) থাকে। ‘দুর্বল ধরণের পাট। ছাল ছাড়াও অন্য ধরণের দাগ-ময়লা থাকতে পরে। কাটিং ৩৫% ভাগ পর্যন্ত হয়। সাধারণভাবে এ ধরণের আঁশকে ‘ক্রস’ বটম বলা হয়।  পাকা বেলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সাদা ‘ডি’ বা BWD নামে অভিহিত করা হয়।

আঁশ যে কোন  রঙের। যে কোন শক্তিমান সম্পন্ন । আঁশের অগ্রভাগ আঠালো এবং জটলা সদৃশ্য(bark)। কাল ছালযুক্ত এবং কঠিন ধরণের শক্ত (hard)। এ ধরণের কাঁচা পাটকে সাধারণভাবে ‘ক্রস’ বটম বলে অভিহিত করা হয়। কাটিং সর্বোচ্চ ২৫% ভাগ। পাকা বেলের বেলায় অর্থাৎ কাটিং বাদে ক্রস-বটম বাংলাদেশ তোষা ‘ডি’ বা BWDB(Bangladesh Tosa-D) রূপে চিহিৃত হয়।

 

বি:দ্র: ক্রস-বটম নিম্নমানের আঁশ। উভয় ধরণের কক্রস বটম মানে আঁশে ছাল ও কাল দাগ থাকে। আঁশের ডগার দিকে জটলাপূর্ণ এলোমেলো আঁশ যুক্ত হয়ে থাকে। অন্য ময়লা,ভাঙা পাট খড়ি লেগে থাকে।

 

 

 

চিত্র:(৪৫-৪৬)- পাট জাগ দেয়া

 

 

 

 

চিত্র:৪৭-পাটের আঁশ ছাড়ানো

 

 

 

 

 

চিত্র:(৪৮-৪৯)-পাটের আঁশ ও পাট খড়ি শুকানো

 

 

 

 

চিত্র:৫০-নদীর তীরে কাঁচা পাটের হাট

 

 

 

               

                           চিত্রঃ ৫১- পাক্কা বেল                                                                চিত্রঃ ৫২-কাচ্চা বেল

 

 

 

 

 

 

পাট অধিদপ্তরের বিভিন্ন কার্যক্রমের বিষয় ভিত্তিক ফোকাল পয়েন্ট/এডমিন ও বিকল্প ফোকাল পয়েন্ট/এডমিন কর্মকর্তার নাম :

 

 

ক্র: নং

বিষয়

ফোকাল পয়েন্ট/এডমিন কর্মকর্তার নাম ও পদবি

বিকল্প ফোকাল পয়েন্ট/এডমিন কর্মকর্তার নাম ও পদবি

০১

জাতীয় নৈতিকতা কমিটি (এনআইএস)

জনাব মো: আব্দুল জলিল (যুগ্ম সচিব)

পরিচালক (প্রশাসন: ও অর্থ)

ফোন: ০২-৯৫৬৬৬৭১৪

মোবা:০১৭৪৭-১৭৪৮৪১

ই-মেইল: mdjalil63@gmail.com

জনাব মোঃ আছাদুজ্জামান (উপসচিব)

উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)

ফোন - ৯৫৫১১১৮

মোবাইল – ০১৭১২০৭২৬৯৭

ই-মেইল – asad310763@yahoo.com

০২

অনলাইন লাইসেন্সিং

ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা

উপপরিচালক (পাট)

ফোন - ৯৫৬৯৮২৪

মোবাইল – ০১৫৫২৪৬২৪০২

ই-মেইল – zohirulhuda@yahoo.com

জনাব মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম

সহকারী পরিচালক(লাইসেন্স)

মোবাইল – ০১৭০৯৭৯০২৮১

ই-মেইল – azizdu8@gmail.com

০৩

জি আর এস

জনাব মো: তাহমিদা আহমদ (যুগ্ম সচিব)

পরিচালক (পাট)

ফোন: ০২-৯৫৫৩৮৪৬

মোবা:০১৮৩২-৫২৬২১৮

জনাব মোঃ আমিনুর রহমান

সহকারী পরিচালক (প্রশাসন)

ফোন - ৯৫৫২০৩৬

মোবাইল – ০১৯১৩১৬২৩১৭

ই-মেইল – aminurrahmanjute@gmail.com

০৪

তথ্য সেবা প্রদান সংক্রান্ত

জনাব মোঃ রফিকুজ্জামান

উপপরিচালক (পরীক্ষণ)

ফোন - ৯৫৫২০২৫

মোবাইল – ০১৭১১৮০৪৮৩৯

বেগম আকলিমা আহসান

পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা

ফোন:

মোবা: ০১৭০৯-৭৯০২৮১

ই-মেইল:

০৫

৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও ইনপুট প্রদান

ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা

উপপরিচালক (পাট)

ফোন - ৯৫৬৯৮২৪

মোবাইল – ০১৫৫২৪৬২৪০২

ই-মেইল – zohirulhuda@yahoo.com

জনাব মো: সওগাতুল আলম

সমন্বয় কর্মকর্তা

ফোন:

মোবা: ০১৭১১-৭৮৭৪৯৩

ই-মেইল: alam.sowgat@gmail.com

০৬

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ)

জনাব মোঃ আছাদুজ্জামান (উপসচিব)

উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)

ফোন - ৯৫৫১১১৮

মোবাইল – ০১৭১২০৭২৬৯৭

ই-মেইল – asad310763@yahoo.com

জনাব মোঃ আমিনুর রহমান

সহকারী পরিচালক (প্রশাসন)

ফোন - ৯৫৫২০৩৬

মোবাইল – ০১৯১৩১৬২৩১৭

ই-মেইল – aminurrahmanjute@gmail.com

০৭

অডিট সংক্রান্ত

জনাব মোঃ আছাদুজ্জামান (উপসচিব)

উপপরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ)

ফোন - ৯৫৫১১১৮

মোবাইল – ০১৭১২০৭২৬৯৭

ই-মেইল – asad310763@yahoo.com

জনাব মো: হাবিবুর রহমান

সহকারী পরিচালক (অর্থ ও বাজেট)

মোবা: ০১৭১৬-০০৬২৬৯

০৮

আইসিটি সংক্রান্ত

জনাব মনজুর আহমেদ

ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার

মোবাইল – ০১৭১২৩১০৮২৫

ই-মেইল -monjur.rubel@gmail.com -

জনাব মোঃ শামীম আল মামুন তালুকদার

মনিটরিং এন্ড ইভ্যালোয়েশন অফিসার

মোবাইল – ০১৭১১৪৭৬১২৫

ই-মেইল -shamimalmamun555@gmail.com

 

 

 

 

০৯

ইনোভেশন সংক্রান্ত

জনাব মোঃ আব্দুল জলিল

পরিচালক(প্রশা: ও অর্থ)

মোবাইল :০১৭৪৭১৭৪৮৪১

ই-মেইল : mdjalil63@gmail.com

জনাব মোঃ শামীম আল মামুন তালুকদার

মনিটরিং এন্ড ইভ্যালোয়েশন অফিসার

মোবাইল – ০১৭১১৪৭৬১২৫

ই-মেইল - shamimalmamun555@gmail.com

১০

ওয়ান স্টপ সার্ভিস

জনাব মো: জর্জিসুর রহমান (উপসচিব)

উপপরিচালক (পণ্য পরিদর্শন)

ফোন:

মোবা: ০১৭১৫-৪৯৬৭৭৪

ই-মেইল:jarzisurrahman@yahoo.com

জনাব মো: সওগাতুল আলম

সমন্বয় কর্মকর্তা

ফোন:

মোবা: ০১৭১১-৭৮৭৪৯৩

ই-মেইল: alam.sowgat@gmail.com

১১

অর্থনৈতিক সমীক্ষা

জনাব মোঃ রফিকুজ্জামান

উপপরিচালক (পরীক্ষণ)

ফোন - ৯৫৫২০২৫

মোবাইল – ০১৭১১৮০৪৮৩৯

বেগম আকলিমা আহসান

পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা

ফোন:

মোবা: ০১৭০৯-৭৯০২৮১

ই-মেইল:

১২

Improve Public Service Through Total Quality Management

জনাব মো: তাহমিদা আহমদ (যুগ্ম সচিব)

পরিচালক (পাট)

ফোন: ০২-৯৫৫৩৮৪৬

মোবা:০১৮৩২-৫২৬২১৮

ড. মোহাম্মদ জহিরুল হুদা

উপপরিচালক (পাট)

ফোন - ০২-৯৫৬৬৮৭২

মোবাইল – ০১৫৫২৪৬২৪০২

ই-মেইল – zohirulhuda@yahoo.com

১৩

ই-ফাইল (নথি) ব্যবস্থাপনা

জনাব মো: জর্জিসুর রহমান (উপসচিব)

উপপরিচালক (পণ্য পরিদর্শন)

ফোন:

মোবা: ০১৭১৫-৪৯৬৭৭৪

ই-মেইল:jarzisurrahman@yahoo.com

জনাব মোঃ শামীম আল মামুন তালুকদার

মনিটরিং এন্ড ইভ্যালোয়েশন অফিসার

মোবাইল – ০১৭১১৪৭৬১২৫

ই-মেইল - shamimalmamun555@gmail.com

১৪

ই-জিপি সিস্টেম

জনাব মো: জর্জিসুর রহমান (উপসচিব)

উপপরিচালক (পণ্য পরিদর্শন)

ফোন:

মোবা: ০১৭১৫-৪৯৬৭৭৪

ই-মেইল:jarzisurrahman@yahoo.com

 

জনাব মোঃ শামীম আল মামুন তালুকদার

মনিটরিং এন্ড ইভ্যালোয়েশন অফিসার

মোবাইল – ০১৭১১৪৭৬১২৫

ই-মেইল - shamimalmamun555@gmail.com

১৫

ওয়েব সাইট সংক্রান্ত

জনাব মনজুর আহমেদ

ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার

মোবাইল – ০১৭১২৩১০৮২৫

ই-মেইল -monjur.rubel@gmail.com

জনাব মোঃ শামীম আল মামুন তালুকদার

মনিটরিং এন্ড ইভ্যালোয়েশন অফিসার

মোবাইল – ০১৭১১৪৭৬১২৫

ই-মেইল - shamimalmamun555@gmail.com

১৬

Personal Data Sheet (PDS)

জনাব মো: আমিনুল ইসলাম

সহকারী পরিচালক (সাধারন ও ষ্টোর)

মোবা: ০১৭১২-৬৬৬১৮৬

জনাব মনজুর আহমেদ

ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার

মোবাইল – ০১৭১২৩১০৮২৫

ই-মেইল -monjur.rubel@gmail.com

১৭

ওপেন গভর্নমেন্ট ডাটা (ওজিডি)

Open Government Data (OGD)

জনাব মো: জর্জিসুর রহমান (উপসচিব)

উপপরিচালক (পণ্য পরিদর্শন)

ফোন:

মোবা: ০১৭১৫-৪৯৬৭৭৪

ই-মেইল:jarzisurrahman@yahoo.com

জনাব মনজুর আহমেদ

ডাটা এন্ট্রি সুপারভাইজার

মোবাইল – ০১৭১২৩১০৮২৫

ই-মেইল - monjur.rubel@gmail.com

 

 

 

 

বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৮-১৯ বার্ষিক প্রতিবেদন ২০১৮-১৯


Share with :

Facebook Facebook